Skip to main content

Posts

When Life gives you Lemon...

There is a famous saying when " When life gives you lemons, make lemonade . "  But when life really gives us lemons what should we do. Here is various idea I collected over various sources. When life gives you lemons, start a lemon orchard and then use all of your lemon money to buy a lime orchard, beginning your citrus monopoly. (Optimist) When life gives you lemons, make lemon grass chicken with a hint of garlic.  (i.e Paula Dean) When God gives you lemons, FIND A NEW GOD! (Atheist) When life gives you lemons you can't make lemonade because you need sugar for that. Enjoy your sour lemon water. Dumb-ass. (Pessimist) When life gives you lemons, throw them away, because you don't like lemons. You prefer apples.(Denial) When life gives you lemons make lemonade...just add HCL to it and give it back to life. That will teach the SOB not to give you lemons.(Vindictive) When life gives you lemons, have pity on lemons for they must feel worse than you do. :-) When ...

খাপছাড়া -৩

স্বপ্ন বিড়ম্বনা আজকাল মাঝে মাঝেই একটা স্বপ্ন দেখি -  দেশে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছি, কিন্তু  যেতে পারছি না। আমাকে ফেলে রেখেই প্লেন চলে যাচ্ছে। একটু এদিক সেদিক করে বারে বারে এ স্বপ্নটা দেখি। ভয় হয়- আদৌ কী আর দেশে যাওয়া হবে ? নামের কথকথা আমার নামে  কোমল বর্ণ থাকলেও, ইংরেজী ভাষীরা দু'-একবারের চেষ্টাতে মোটামোটি উচ্চারণ করতে পারে। লোকজন ডাকে  "ড়াডিয়া/ র‌্যাডিয়া/রাদিয়া" এর মাঝামাঝি কিছু।  সবার মুখে শুনতে শুনতে আমিও পরিচয় দি ড়াডিয়া। সম্বোধন নিয়ে আমার তেমন কোন প্রেজুডিস নাই। কারো নাম সম্বোধন না করেও দীর্ঘ সময় কথা বলা যায়। আজকাল লক্ষ্য করছি মানুষ জন আমাকে ডাকছে "ড়ায্যা/রাযা/রায্যায়া/র‌্যায্যায় "। কেবল নতুন পরিচিতরা না , অন্যরাও বলছে।, বহুদিন পর কথা হওয়া আমার পুরানো বসও আমাকে "ড়ায্যা/রাযা/রায্যায়া " বলছে। ও আমাকে আগে ঠিকই র‌্যাডিয়া বলত এবং ওর সামনে আবশ্যই আমার নাম লেখা ছিল। তাহলে কী  ভাষার বিবর্তনে "ডি "(D)  উচ্চারণ আজকাল "যি" (Z)  এর মত হয়ে যাচ্ছে? নাকি আমার শোনায় ভুল? মরিচীকা প্রচন্ড গরম। বাইর...

ভূতের নাচ

আমেরিকার আদিবাসী ইন্ডিয়ানদের মাঝে গোস্ট ডান্স (ভূতের নাচ) বিশ্বাস ব্যাবস্থার প্রচলন হয় ১৮৮০ সালের দিকে। আদিবাসী ইন্ডিয়ানদের তাদের নিজ ভূমি থেকে সরিয়ে সংরক্ষিত এলাকায় পুনর্বাসন করা হয়েছে। এখানে তাদেরকে সরকার থেকে বার্ষিক ভাতা হিসাবে খাবার দেয়া হত। কিন্তু সরকারি কর্মচারীরা এসব বিক্রি করে দিত। ইন্ডিয়ানরা প্রায়ই থাকত অনাহারে। না খেতে পেয়ে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ছিলো খুবই কম। এসব পুনর্বাসন এলাকায় দেখা দিত কালা জ্বর, কলেরা সহ নানা অসুখ। সে সময় এসব রোগের তেমন কোন সুচিকিত্‌সা ছিলো না । আর ওষুধ যোগাড় করা ছিলো তাদের ক্ষমতার বাইরে। কবিরাজের জুড়িবুটিতে কোন লাভ হচ্ছিলোনা। আর সমতলের সাদাদের ওষুধের উপর তাদের আস্থা ছিলো না। বাঁচার জন্য ইন্ডিয়ানরা তাদের সন্তানদের পাঠিয়ে দিত দূরের মিশনারী আবাসিক স্কুলে। সেখানে ইন্ডিয়ান শিশুদের দেয়া হত নতুন নাম, শিখানো হ্ত ইউরো- আমেরিকান সমাজ ব্যবস্থা, দীক্ষা দেওয়া হত খ্রীষ্ট ধর্মে। আদিবাসী ইন্ডিয়ানরা কোনভাবেই আর তাদের পুরানো জীবন বিধি ধরে রাখতে পারছিলো না; আবার ইউরো- আমেরিকান সমাজ ব্যাবস্থায় খাপ খাওয়ানোও সম্ভব হচ্ছিলো না। এমনই কঠ...

খাপছাড়া ২

পরীক্ষার পূর্বসপ্তাহ "ঘুম পরীক্ষার  দূরত্বের বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক " রানা স্যারের এই অমোঘ  সূত্র আমার জীবনের ধ্রুব সূত্র।  পরীক্ষা সামনে এলেই ঘুমের পরিমাণ বাড়তে থাকে। বই খুললেই চোখ বন্ধ হয়ে আসে। আর টিভি খুললেই  ঘুম চলে যায়। সব কিছুই ভালো লাগে। জাজ শো,  ভুয়া ডকুমেন্টারি , বহুবার দেখা মুভি সবই।  ঘন্টা খানেক পড়লেই মনে হয়, হাতে পায়ে জং ধরে যাচ্ছে, যাই একটু দৌড়ে আসি। গ্রীষ্মের এই রোদেও খারাপ লাগে না। এ বছর  পরিবেশ বাচাঁতে কোন কিছুই প্রিন্ট করিনি। সব নোটস, রিভিউ পিডিএফে পড়ি আর একটু পরপর ফেসবুক, ইউটিউব, গুগোল রিডার  গুঁতাই; ঘন্টার পর ঘন্টা অনলাইনে বসে থাকি।  ইমেইলের রিপ্লাই দিতে ত্বর  সয় না। মাঝে কিছুদিন ফেসবুক থেকে দূরে ছিলাম। অনেক কিছুই নতুন ঠেকছে।  সবচেয়ে ভয়ানক জিনিসটা হল সাইবার বুলিং। কোন প্রকার উস্কানি ছাড়াই অচেনা লোকজন অফেন্সিভ  মেসেজ করে। পরীক্ষা শেষেই অবস্থা পুরা ১৮০ ডিগ্রী ভিন্ন। টিভিতে দেখার কিছুই পাইনা।  ফেসবুক বিরক্ত লাগে।  দৌড়াতে আলস্য লাগে। গান শুনলেও মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। কিছুই ভালো লা...

Kitty on the loose

A lost kitty cat came to my balcony. I live on 2nd floor and there are no trees nearby. I was so surprised to find how it managed to climb to the 2nd floors. It wasn't a well kept kitty. Not groomed. You can tell it had fleece just looking at it.  More over I'm highly allergic to cats. I closed my balcony door. It managed to get down after a while. I asked my land lady she told me its one of my neighbor's abundant cat.  They don't take care of it at all. Its always on the loose. they don't even let it in. Last week, it pooped on my front door. It was disgusting. I forgot about the whole kitty thing until I saw it under my car last night. It was sitting there. I can tell it was cold. For the first time I feel bad for the helpless kitty. I decided to call animal control. While looking for their number, I found animal control catches stray animals;  put them for adoption for a week. If nobody adopts by then, they impound the poor animal. After that I couldn't c...

শুভ্র গেছে বনে

হুমায়ুন আহমেদের সৃষ্ট চরিত্র গুলোর মধ্যে আমার সবচেয়ে পছন্দ শুভ্রকে। পৃথিবীর শুদ্ধতম মানুষ। বাস্তবতা তাকে এখনো কুলষিত করতে পারেনি; চশমা পড়ে; একটু বোকা।  এবাররের বই মেলায় শুভ্রকে নিয়ে লেখা বই "শুভ্র গেছে বনে" । হুমায়ুন আহমেদের সাম্প্রতিক সময়ের বইগুলোর নির্দিষ্ট একটা ছক আছে। এই বইটাও তার বাইরে নয়। কামুক বৃদ্ধ - যে তরুণী মেয়েদেরকে সাথে নানা আদিরসাত্মক ঠাট্টা করবে। মেয়েরা আবার তাকে খুবই পছন্দ করবে। √ চেক মাঝ বয়সী শঠ বাবা, শাশুড়ী  আথবা দাদী  - এরা বেশিরভাগ সময় পাগলের অভিনয় করে। এই চরিত্রটির প্রধান কাজ খিস্তি খেউর এবং নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করা। শেষদিকে এরা সাধারণত নিজের ভুল বুঝতে পেরে নানা মহৎ কাজ করে থাকে। √ চেক অতিপ্রাকৃত ঘটনা বা সস্তা নাটকীয়তা  √ চেক নারিকেল মানবঃ এরা বইয়ের প্রধান চরিত্র। নায়ক অথবা নায়িকা। এদের বাইরেটা ইস্পাত কঠিন কিন্তু ভিতরটা খুবই নরম। পাঠক মনে হয়  এ ধরনের চরিত্র খুব পছন্দ করে। √ চেক এই বইয়ে যেটা সবচেয়ে বেশী চোখে লেগেছে তা হল এই একবিংশ শতকে একই শহরে বাস করা গল্পের প্রধান চরিত্রগুলোর যোগাযোগের মাধ্যম হল চিঠি। এদের কারো সেল ফোন নেই। হয়তো চি...

তাহলে বস্টোন ???

বস্টোনে একটা নামকরা কোম্পানিতে গ্রীষ্মকালীন ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছি। কাজটা খুবই ইন্টারেস্টিং। ইউজার ইন্টারফেসের (U.I) উপর। আমার আগ্রহটা ও দিকেই। বিজনেস এন্যালাইসিস অ্যান্ড ইউজার ইন্টারফেস ডেভেল্পমেন্ট। কিন্তু যাব কিনা বুঝতে পারছি না।  বস্টোন যাওয়ার পক্ষের যুক্তি হল কাজটা আমার পছন্দের মাল্টাই বিলিওনিয়ার কিন্তু প্রাইভেট ওনড কোম্পানি । পাশ করার পর ভালো সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। টেক্সাসের গরম থেকে মুক্তি বুঝে গিয়েছি ভেরাইযোনকে ছাড়ার সাহস আমার হবে না।  যদি আমি বস্টোনে যাই, তবে আমার শেষ সেমিষ্টারটা আর ১০টা কলেজ ছাত্রের মত উপভোগ করতে পারব। নতুন চাকরি, নতুন পরিবেশ, নতুন শহরের এক্সাইটমেন্ট না যাওয়ার পক্ষের যুক্তি ও কম নয়।  বাসা ঠিক করা, নিজের গাড়িহীন জীবন আমার টেক্সাসের বাসার লিজ্‌ আগস্ট পর্যন্ত, সেই ডেমারেজ সামারে একটা ক্লাস নিবো ভেবেছিলাম, সেটা হবে না। শেষ সেমিষ্টারে ১২ আওয়ারই নিতে হবে। পুরানো চাকরি কিন্তু অল্প আওয়ার। চেনা পরিবেশ, নিরাপদ জীবন