Skip to main content

Posts

Showing posts with the label দিনপঞ্জি

New Years Resolution 2013

Visit two new countries Hit the gym at least 3.5 times a week ( about 180 times in the whole year) Start masters Learn  how to stay calm in difficult situations

এলোমেলো দিনলিপি ০৯

চারপাশের সব কিছু  - পরিবেশ, মানুষ, অর্থনীতি খুব দ্রুত পরিবর্তনশীল।  এত্ত পরিবর্তনের ধাক্কা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছি। কেবন মনে হচ্ছে , পথে যদি একটু তিষ্টোতে পারতাম। এর মাঝে নিজেকে অরগ্যান দাতা হিসাবে তালিকাভুক্ত করলাম। সোনামনির অসুস্থতার পর থেকে মনে হচ্ছে ,  reuse, reduce, recycle. মানুষও হয়তো রি সাইকেল যোগ্য। রি- সাইকেলের কী কোন বাংলা আছে??? পুনঃব্যবহার???? শুনলেই বংগ বাজারের সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেটের কথা মনে হয় !  তবে এখন একটু ভয় লাগছে , সবাই যখন  খুব স্মার্টলি বেহেশতে যাবে ... আমি যাব অরগ্যান ছাড়া। খুব বেশী সুখকর ভাবনা না! কদিন আগে রেডিও তে শুনলাম, অরগ্যান পাওয়ার নিয়ম কানুনে পরিবর্তন আসছে। আগে, আগে আসিলে আগে পাইবে   ভিত্তিতে অরগ্যান দেয়া হত। এতে হয়তো ৩০ বছরেরে কিডনি প্রতিস্থাপণ করা হত ৮০ বছরের কারোর দেহে আথবা উল্টোটা । সে হয়তো বাঁচবে বড় জোর আর ৫ বছর।  নতুন নিয়মে সবচেয়ে বেশী বাঁচার সম্ভবনা যার তাকেই দেয়া হবে সেরা অরগ্যানটা। একজন অরগ্যান দাতা হিসাবে আমি নতুন নিয়মটা  আমা্র কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে। আমি অবশ্যই চাইবো আর কা...

এলোমেলো দিনলিপি (হাকুনা মা-টা-টা এডিশান)

একেকটা সময় আসে, সব কিছুই এলোমেলো লাগে। মনে হয় আমি এখানে কি করছি? আসলামই বা কিভাবে এখানে? আসলেই কি এখানে থাকার কথা আমার? সব কিছুই নতুন; নতুন শহর, নতুন চাকরি, নতুন বাসা, নতুন আসবাব, ল্যাপটপ, ফোন... পুরাতন বলতে আমার দাদীমা বুড়ো গাড়িটা। সেটাও কতোদিন থাকবে জানি না। নতুন শহরে এখনো তেমন অভস্ত্য হতে পারিনি।  কখনো কখনো ছুটে পালিয়ে যেতে ইচ্ছা করে। নিজের কাছ থেকে কি পালানো যায়? এখনো তেমন কোন বন্ধু হয়নি।  সারাদিন অফিসের মাঝে কেটে যায়। বিকালে শুণ্য ঘরে ফিরতে ইচ্ছা করেনা। কাজের পরে তাই উইন্ডো শপিং করে বেড়াই। প্রয়োজনীয়, অপ্রয়োজোনীয় জিনিস কিনে ঘর ভরাই। আবার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স দেখে ভয় পেয়ে ফেরত দিয়ে আসি। এই বিশাল আধা চেনা শহরে একা একা ঘুরে বেড়াই।  এখানে অবহাওয়া এখন খুবই সুন্দর। বিকালের দিকে সাগর পারের হাওয়া গায়ে লাগে।  সারাদিনই প্রচন্ড বাতাস থাকে। এমন সুন্দর বিকাল গুলোতে খুব ইচ্ছা করে দৌড়াতে; বাঁধন ছাড়া , গন্তব্যহীন  মুক্ত দৌড়। কিন্তু নিরাপত্তার ভয়ে আমি জোড়ে টিভি ছেড়ে ঘরে বসে থাকি আর জাঙ্ক ফুড খাই। আগে একবারে বেশী বেশী রান্না করে রেখে দিতাম ,সারা সপ্তাহ জুড়ে সেটাই খেতাম। এ...

কলাইডোস্কোপে ২০১০

সেই ইমেইলটা লেখার দিন ঘনিয়ে আসছে। গত প্রায় দু'বছর ধরে অপেক্ষা করেছি কেবল এই ইমেইলটা লেখার। মনে মনে কত খসড়া এঁকেছি। বড় আজব মানুষের মন। আজ লিখতে বসে ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। মনের মাঝে ভিড় করছে গত তিন বছর ৯ মাসের অজস্র স্মৃতি। হারিয়ে যাওয়া সহকর্মীর মুখ। আমার ছোটু ৮' x ১২' কিউব হয়তো কাল থেকে আর কেউ অগোছলো করবে কিংবা করবে না। আমার লাল- কালো ব্যাজটা রিসাইকেলড হয়ে যাবে। এ্যকসেস কার্ড দিয়ে আর কোন দরজা খুলবে না। কোন সহকর্মীর বিদায় দিনে আমরা সবাই মিলে কোথাও খেতে যেতাম। কিন্তু আমাকে বিদায় দেয়ার কেউ নেই। আমিই শেষজন। খুব অদ্ভুত লাগছে। জীবন খুব দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। ক'দিন আগেই ছাত্রজীবনের ইতি টেনে দিলাম। আর কোন কোথাও পেশা  ছাত্র লিখতে পারবো না। আমার ডেমোগ্রাফিক বদলে গেল।  সময়টাই অদ্ভুত। মাঝে মাঝে নতুন ডেমোগ্রাফিটাকে  দারূণ রোমাঞ্চকর মনে হয় - আবার ভয় ও লাগে। জীবনে ছাত্রত্ব ছাড়া তো আর কিছুই তেমন করিনি। এই লেবেলটা সেই ৪ বছর বয়স থেকে বয়ে বেড়াচ্ছি -  এটাই আমার পরিচয় হয়ে গিয়েছে। এই ভয় থেকেই একবার ছাত্রজীবনটা টেনে দীর্ঘ করার চিন্তা মাথায় এসেছিলো। কিন্তু জি.আর...

খাপছাড়া ২

পরীক্ষার পূর্বসপ্তাহ "ঘুম পরীক্ষার  দূরত্বের বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক " রানা স্যারের এই অমোঘ  সূত্র আমার জীবনের ধ্রুব সূত্র।  পরীক্ষা সামনে এলেই ঘুমের পরিমাণ বাড়তে থাকে। বই খুললেই চোখ বন্ধ হয়ে আসে। আর টিভি খুললেই  ঘুম চলে যায়। সব কিছুই ভালো লাগে। জাজ শো,  ভুয়া ডকুমেন্টারি , বহুবার দেখা মুভি সবই।  ঘন্টা খানেক পড়লেই মনে হয়, হাতে পায়ে জং ধরে যাচ্ছে, যাই একটু দৌড়ে আসি। গ্রীষ্মের এই রোদেও খারাপ লাগে না। এ বছর  পরিবেশ বাচাঁতে কোন কিছুই প্রিন্ট করিনি। সব নোটস, রিভিউ পিডিএফে পড়ি আর একটু পরপর ফেসবুক, ইউটিউব, গুগোল রিডার  গুঁতাই; ঘন্টার পর ঘন্টা অনলাইনে বসে থাকি।  ইমেইলের রিপ্লাই দিতে ত্বর  সয় না। মাঝে কিছুদিন ফেসবুক থেকে দূরে ছিলাম। অনেক কিছুই নতুন ঠেকছে।  সবচেয়ে ভয়ানক জিনিসটা হল সাইবার বুলিং। কোন প্রকার উস্কানি ছাড়াই অচেনা লোকজন অফেন্সিভ  মেসেজ করে। পরীক্ষা শেষেই অবস্থা পুরা ১৮০ ডিগ্রী ভিন্ন। টিভিতে দেখার কিছুই পাইনা।  ফেসবুক বিরক্ত লাগে।  দৌড়াতে আলস্য লাগে। গান শুনলেও মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। কিছুই ভালো লা...

নানা রঙের দিনগুলি (ভাল্লাগে না)

Get this widget | Track details | eSnips Social DNA কদিন ধরে কিছুই ভাল লাগছে না। পুরো একটা এ্যঞ্জেল কেক, প্রচুর জাঙ্ক ফুড খেয়েও মন ভাল হচ্ছে না। এই সেমস্টারে তেমন একটা workout করা হচ্ছে না। সবসময় অস্থির লাগে। Probably I'm to stressed. I 'm running behind in all classes. Don't have any time to study. Don't care about work anymore. Have test , quiz, homework due everyday, besides working longer hours, I don't have any time for myself. I don't like my friends,sister drives me nuts. I hate everything of my life at the moment. Usually I'm a very constructive, positive person. I take measures to make things better. Last day , I found myself thinking, what if I quit?? Quit my job, study, friends, city, country??? Why does I fall into this every 3 yrs? Am I a escapist??? Is there a way out to break this cycle? I woke up at 7.00pm; thinking that I'll get off when the alarm ring. I totally forgot to set the alarm. after g...